হিন্দু ধর্মে পাঁচ প্রকার স্নানের কথা বলা হয়েছে।
মনুস্তি পুরান, গরুড় পুরান, বিষ্ণু পুরাণ মতে স্নান পাঁচ প্রকার, যথাঃ-
১) ব্রহ্ম স্নান- শাস্ত্রমতে ভোর ৩.০০-৩.৩০ মিনিট হচ্ছে ব্রহ্ম মুহুর্ত। তাই এই ব্রহ্মমুহূর্তে স্নান করার কারণে ওই সময়কে ব্রহ্ম স্নান বলা হয়।
২) দেব স্নান- শাস্ত্রমতে ভোর ৩.৩০- ৪.০০ মিনিটের মধ্যে যে স্নান করা হয় তাকে দেব স্নান বলা হয়।
(এই
দুই সময়ের মধ্যে যারা স্নান করে ভজন পূজা আদি করে তাহলে হাজার গুণ
ফলপ্রাপ্ত হয়। এই সময়ে ভজন, পূজা ও জপের মধ্যে মন নিয়ন্ত্রণ হয় )
৩) ঋষি স্নান- যে ব্যক্তিরা সূর্য উদয়ের পরে স্নান করে অর্থাৎ ভোর ৫.০০-৬.০০ মি, ওই স্নান কে ঋষি স্নান বলা হয় । ( এই সময়ও স্নান করার পর সব রকমের রীতিসিদ্ধ প্রাপ্ত হয়।)
৪) মনুষ্য স্নান- ৬.০০-৮.০০ মি এই সময়ের মধ্যেও যদি কেউ ৭ থেকে ৭.৩০ মধ্যে স্নান করে পূজা বসে মাষনু হিসাবে সে তার কাজ টুকু ত, অন্তত করেছে।
৫) রাক্ষস স্নান- ৮.০০মি (কিন্তু যারা আটটা পর্যন্ত ঘুমায় কি অবস্থা হবে, অনেকেই দেখা যাচ্ছে যে যারা আটটা পর্যন্তই ঘুমায় আটটার পরে যারা স্নান করে তাদের স্নান রাক্ষসের স্নান বলে